মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অর্জনসমূহ

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ

কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও উন্নয়নে মৎস্য অধিদপ্তর প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। জাতীয় জিডিপি’র ৩.৬১ শতাংশ এবং মোট কৃষিজ আয়ের ২৪.৪১ শতাংশ মৎস্য উপখাত থেকে আসে (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৭)। বিগত দশকে মৎস্য খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ। দেশের রপ্তানি আয়েও এ খাত রাখছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ যোগান দেয় মাছ। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭) মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল যথাক্রমে ৩৬.৮৪, ৩৮.৭৮ ও ৪১.৩৪ লক্ষ মেট্রিক টন। মোট জনগোষ্ঠীর ১১ শতাংশের অধিক এ সেক্টরের বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করে। অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে মৎস্য আহরণ ও উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে যথাক্রমে ৪র্থ ও ৫ম স্থান অধিকার করেছে (এফএও, ২০১৬)।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রধান অর্জনসমূহ

  • মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণে  প্রদর্শনী মৎস্য খামার স্থাপন; (6 টি 1.21 হে.)
  • বিল নার্সারি স্থাপন; (১ টি বিলে 0.50 হেক্টর)
  • পোনা অবমুক্তকরণ; (0.54 মে: টন)
  • দক্ষতা উন্নয়নে  মৎস্যচাষি/সুফলভোগীকে প্রশিক্ষণ প্রদান; (174 জন)
  • গুণগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যে পরিচালিত ৬১৫টি মৎস্য হ্যাচারির নিবন্ধণ ও নবায়ন;
  • গুণগত মানসম্পন্ন মৎস্য খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাদ্য নমুনা পরীক্ষা; (2 টি)
  • ১ টি বাজারকে ফরমালিনমুক্ত মাছ বাজার ঘোষনা।
  • 2 টি মৎস্য অভয়াশ্রম নির্মান/ব্যবস্থাপনা
  • মা ইলিশ সংরক্ষণে 30 টি মোবাইল কোর্ট/ অভিযান পরিচালনা
  • মৎস্য খাদ্য মান নিম্চিত/ফরমালিনের ব্যবহার রোধে প্রতিমাসে 1টি করে মোবাইল কোর্ট/অভিযান পরিচালনা

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter